কারেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম এবং কারেন্ট একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে

আজকে  জানতে পারবো কারেন্ট একাউন্ট বা চলতি হিসাব  কিভাবে খুলতে হয় এবং কি কি সুবিধা রয়েছে চলতি হিসাব বা কারেন্ট একাউন্টে কারেন্ট বা চলতি হিসাব খুলতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন রয়েছে পুরো বিস্তারিত আলোচনা করব। 

এবং কারেন্ট একাউন্ট খুলতে কি কি লাগে

কারেন্ট একাউন্ট হচ্ছে চলতি হিসাব যা সাধারণত ব্যবসা প্রতিষ্টান মালিক অথবা একমালিকানা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিরা এই ধরনের অ্যাকাউন্ট খুলে থাকে। কারেন্ট একাউন্ট সাধারণত স্কুল, মাদ্রাসা, বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টান, ডাক্তারের,এবং বিভিন্ন দোকানের নামে হয়ে থাকে, কারেন্ট একাউন্ট কোন সময় ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশন হয়না। শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে কারেন্ট একাউন্ট হয়ে থাকে। 


কারেন্ট একাউন্ট সুবিধা 

  • চলতি হিসাব বা কারেন্ট একাউন্ট সাধারনতো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে হয়ে থাকে বলে আপনি একদিনে যত খুশি তত লেনদেন করতে পারবেন কারেন্ট একাউন্ট থেকে। 
  • এই কারেন্ট বা চলতি হিসাব একাউন্ট থেকে কোন ধরনের মুনাফা বা সুদ দিয়ে থাকে না। 
  •  যে কোন ব্যাংকে কারেন্ট একাউন্ট থাকলে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে ঋণ গ্রহণ করতে সুবিধা পাওয়া যায়। 
  • কারেন্ট বা চলতি হিসাবের মাধ্যমে চেক ইস্যু করা যায়। 
  • চলতি হিসাবের মাধ্যমে ডেবিট কার্ড ক্রেডিট কার্ড সুবিধা পাওয়া যায়। 
  • ইন্টারনেট ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায় এবং এসএমএস ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে  পাশাপাশি অনলাইন ব্যাংকিং এর সুবিধা রয়েছে। 
  • যে কোন ব্যাংকে ইনস্ট্যান্ট ফান্ড টান্সফার করার সুবিধা রয়েছে। 
  • একদিনে যত খুশি তত লেনদেন করতে পারবেন এই কারেন্ট একাউন্ট বা চলতি হিসাব থেকে। 


কারেন্ট একাউন্ট খুলতে কি কি কাগজ লাগে 


  • কারেন্ট একাউন্ট যেহেতু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা হয়ে থাকে তাই বিশেষ করে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ডকুমেন্ট প্রয়োজন রয়েছে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো। 
  • কারণটা একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই গ্রাহকের প্রতিষ্ঠানট ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন হবে।  যেই স্থানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সেই স্থানের টেড লাইসেন্স প্রয়োজন হবে। 
  • যে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের মালিক তার টিন সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে। 
  • যে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের মালিক ওই ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স  অথবা পাসপোর্ট এর ফটোকপি যেকোন একটা হলেই হবে। অংশীদারি ব্যবসা হলে অবশ্যই প্রতিটি ব্যক্তির যেকোন একটা হলেই হবে। 
  • নাগরিক সনদপত্র অথবা চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট 
  •  18 বছরের নিচে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কারেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবে না। 
  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের যে মালিক ওই ব্যক্তি কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সময় অবশ্যই তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে। 
  • নির্ধারিত পরিমাণ টাকা জমা দিতে হবে অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সময় কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সময় এর সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা জমা দিতে হয়। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের বিভিন্ন নিয়ম রয়েছে। 


আপনি বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংকে কারেন্ট একাউন্ট অথবা চলতি হিসাব একাউন্ট ওপেন করতে গেলে উপরে যে তথ্যগুলো দেয়া হয়েছে সবগুলো তথ্য প্রয়োজন হবে। তাছাড়া আরও বিভিন্ন ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে সেগুলো আপনার পূরণ করতে হবে।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url